আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কিভাবে কাজ করে এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) কিভাবে কাজ করে এবং এর সুবিধা ও অসুবিধা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি,কিভাবে কাজ করে,এর ব্যবহারের সুবিধা কি আর অসুবিধা গুলোই বা কি?এই বিষয় গুলো নিয়েই থাকছে আমাদের আজকের আলোচনা।তাই এই বিষয়টি সম্পর্কে সুন্দর ও পরিস্কার ধারণা পেতে আমাদের সাথেই থাকুন।ফেসবুক AI মেটা চশমা সম্পর্কে জানুন।

সূচিপত্র

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি

AI হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা কিনা মানুষের মতন চিন্তা,বুদ্ধি ও লজিক দিয়ে বিভিন্ন কাজ বা সমস্যা সমাধান করে থাকে অর্থাৎ মানুষের চিন্তা ভাবনা গুলোকে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর মেশিনের মধ্যে রুপ দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কিভাবে কাজ করে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর মেকানিজম বা ক্রিয়া কৌশলের অনেকগুলো ধরন বা ক্যাটাগরি আছে।প্রত্যেকটি ধরণ বা ক্যাটাগরি ভিন্ন ভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।কিন্তু মোটা দাগে বলতে গেলে সবগুলোর কাজ করার মেইন পদ্ধতি বা অ্যালগরিদম সেইম।প্রত্যেক ক্যাটাগরির কাজ হলো প্রচুর পরিমাণ তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করা।

হ্যাঁ,ঠিক তাই।তথ্য ছাড়া AI একেবারেই অচল।আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলো প্রচুর পরিমাণ তথ্য উপাত্তর সমষ্টি এবং তা থেকে অত্যন্ত দ্রুততার সাথে কোনো ডেটা খুজে বের করার অ্যালগরিদম সম্বলিত একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম।যে প্রোগ্রামটি তথ্যের সমষ্টিকে বিশ্লেষণ করে একটা প্যাটার্ন তৈরি করতে পারে এবং সেটা থেকে সেই শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

যেমন ধরো Machine Learning Algorithm।এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের একটি পার্ট।ধরো তুমি কোনো একটা মেশিন কে প্রোগ্রামের মাধ্যমে কিছু একটা শিখালে এবং সে শিক্ষাকে পুজি করে সেই শিক্ষা অনুযায়ী কাজ করাকে বলে মেশিন লার্নিং।

উদাহরণ দিয়ে এ ব্যাপার গুলো খুব ভালোভাবে বুঝা যায়।চলো উদাহরণ দিয়ে বুঝা যাক।মনে করো তুমি এমন একটা প্রোগ্রাম তৈরি করেছো যে প্রোগ্রাম অনেকগুলো পশুর ছবি দেখে শুধুমাত্র বাঘ আছে এরকম ছবি খুজে বের করবে।ঠিক এই জায়গাটাতেই Machine Learning Algorithm এর প্রয়োজন পরে।

এর জন্য প্রথমে তোমাকে হাজার হাজার বাঘের ছবি প্রোগ্রামের মধ্যে ইনপুট দিতে হবে।প্রোগ্রাম সেই ছবি গুলো দেখে বাঘ দেখতে কেমন,তার গায়ের রঙ কেমন,শরীরের আকৃতি কেমন ইত্যাদি দেখে দেখে শিখবে।পরে উক্ত ডেটা থেকে বাঘের একটা তথ্যভিত্তিক প্যাটার্ন তৈরি করবে।

পরবর্তীতে তুমি যখন তাকে অন্যান্য অনেকগুলো পশুর ছবি দেখাবা, তার মধ্যে কোনটিতে বাঘ আছে সেটা সে বাঘের তথ্যভিত্তিক ছবি দেখে পূর্বের শেখা প্যাটার্ন থেকে সহজেই বলে দিতে পারবে।মূলত এভাবেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর সুবিধা ও অসুবিধা

পৃথিবী যত উন্নত হচ্ছে মানুষ তত বেশিই আধুনিক হচ্ছে এবং উন্নত বিশ্বের সুবিধা সমূহ ভোগ করছে।কিন্তু উন্নত হওয়ার সাথে সাথে মানুষ বেশ কিছু প্রতিকূলতার মধ্যে দিয়েও যাচ্ছে।যার সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হতে পারে বায়ুদূষণ।একসময় পৃথিবীতে ইঞ্জিন চালিত কোন যানবাহন ছিলনা,এত্ত উন্নত কলকারখানাও ছিলনা।তাই তখন এত বায়ুদূষন ছিল না।কিন্তু পৃথিবী উন্নত হওয়ার সাথে সাথে ইঞ্জিন চালিত যানবাহন এল,উন্নত কলকারখানা তৈরি হলো।ফলে বিপুল পরিমাণ কালো ধোয়া উৎপন্ন করতে শুরু করল যা বায়ুদূষনের অন্যতম কারণ।অর্থাৎ প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে মানুষ তত বেশি এর সুবিধা ভোগ করতে পারছে।আবার একইভাবে তাদের অনেকগুলো অসুবিধারও সম্মুখীন হতে হচ্ছে।আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সও এর ব্যতিক্রম নয়।তো এখন আমরা দেখব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর বদৌলতে আমরা কি কি সুবিধা ভোগ করছি ও কি কি অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছি।

AI এর সুবিধা

প্রথমে ধাপে আমরা দেখে নেব AI এর সুবিধাগুলো কি কি-

নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা

AI অনেকটাই নির্ভুল কাজ করতে পারে।মানুষ যখন কোনো একটা কাজ করে তখন অসতর্কতাবশত মাঝে মাঝে অনিচ্ছাকৃত ভুল হয়ে যেতে পারে।কিন্তু AI দিয়ে কোনো কাজ করানোর আগে তাকে সেই কাজ সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া থাকে সে কাজের ব্যাপারে।সেই নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তীতে সে কাজ করে থাকে।কিন্তু সমস্যা হচ্ছে যে নির্দেশনা তাকে দেওয়া হয়েছে সেই নির্দেশনায় যদি কোনো ভুল থাকে তাহলে সেই ভুল নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।কারণ AI বুঝে না কোনটা ভুল আর কোনটা সঠিক।তাকে যেই নির্দেশনা দেওয়া হয় না কেন সে সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করতে থাকে।তাই সঠিক নির্দেশনা বা প্রোগ্রাম সেট করতে পারলে AI শতভাগ নির্ভুল কাজ করতে পারবে।

নিরবচ্ছিন্ন কাজ করার ক্ষমতা

কোনো মানুষের পক্ষে একটানা ২৪ ঘন্টা কাজ করতে পারে না।দিনে মানুষকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ন্যূনতম ৮ ঘন্টা রাখতে হয় ঘুমের জন্য।এ ছাড়াও প্রাত্যহিক জীবনের আনুষাঙ্গিক অন্যান্য কাজ করতে ধরে নিলাম তার আরও ৪ ঘন্টা লাগলো।বাকি রইল ১২ঘন্টা যা সে তার কাজের জন্য রাখলো।কিন্তু এই ১২ ঘন্টাও সে বিরতিহীন ভাবে কাজ করতে পারবে না।তার কাজে একঘেয়েমি চলে আসবে ,মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটবে।ফলে আউটপুট একটু কম।কিন্তু প্রযুক্তির কোনো ঘুম নেই,ক্লান্তি নেই।তাকে যে নির্দেশনা দেওয়া হবে সে শুধু সেই নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে যাবে।যার ফলে AI কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত মেশিন সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা অবিরাম কাজ করে যেতে পারে এবং আউটপুট ম্যাক্সিমাম হয়।

পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে ব্যবহার

পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ হচ্ছে কোনো একটা কাজ বারবার রিপিট করা।এমন অনেক কাজ আছে যেসকল কাজে কোনো সৃজনশীলতার প্রয়োজন হয় না।কেবল একই কাজ বারবার রিপেটেডলি করে যেতে হয়।পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের সবচেয়ে সহজ উদাহরণ হচ্ছে ডেটা এন্ট্রি করা।ধরো কোনো একটা কোম্পানি তাদের অভ্যন্তরীণ তথ্যাদি সংরক্ষনের জন্য একজন ডেটা এন্ট্রি অপারেটর নিয়োগ দিলেন যার কাজ হচ্ছে কেবল ডেটা এন্ট্রি করা।এখন দেখো বাংলাদেশে অফিসিয়াল ডিউটি টাইম ৮ ঘন্টা।সে কেবল ৮ ঘন্টাই ডেটা এন্ট্রি করবে।আর যেহেতু ডেটা এন্ট্রি একটি পুনরাবৃত্তিমূলক বা রিপিটেড কাজ,তাই মানুষ হিসেবে তার মধ্যে দীর্ঘসময় লাগাতার কাজ করার ফলে কাজে একঘেয়েমি দেখা দিবে,মনোযোগে বিঘ্ন ঘটবে।যার ফলশ্রুতিতে কাজে ভুলও হতে পারে ও আউটপুট কম আসবে।

কিন্তু এই ধরনের রিপিটেড কাজ যেখানে কোনো সৃজনশীলতা নেই,কোনো ধরনের স্ট্র্যাটেজি এপ্লাই করা লাগে না সেই ধরনের কাজে আমরা সহজেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করতে পারি।কারণ AI মানুষের মতন মাত্র ৮ ঘন্টা কাজ না করে একটানা ২৪ ঘন্টা সপ্তাহে ৭ দিন লাগাতার কাজ করতে পারবে।ফলে কাজে আউটপুট বেশি পাওয়া যাবে।আবার দীর্ঘক্ষণ কাজ করার কারনে AI মানেষের মতন ক্লান্ত হবে না যার ফলে কাজ হবে নির্ভুল।এক কথায় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ করার হার সর্বোচ্চ।

প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহারে যেকোনো ক্ষেত্রে কর্মদক্ষতা ও প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি পায়।এই যেমন ধরো পুনরাবৃত্তিমূলক কাজে মানুষের বিপরীতে AI ব্যবহারের ফলে কাজে অ্যাকিউরেসি বৃদ্ধি পেয়েছে।কারণ মানুষ কাজ করতো দিনে ৮ ঘন্টা,তার উপর লাগাতার কাজ করার কারণে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকতো।কিন্তু AI কাজ করতে পারে দিনে ২৪ ঘন্টা এবং ভুল হওয়ার সম্ভাবনা শুন্য শতাংশ।যার ফলে অল্প সময়ে অধিক পরিমাণ কাজ করা যাচ্ছে এবং কোম্পানির প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঝুঁকিপূর্ণ কাজে পারদর্শিতা

ভয়ংকর রকমের ঝুঁকিপূর্ণ কাজে AI এর ব্যবহার এক বিশাল সম্ভাবনার বহিঃপ্রকাশ।AI এমন কিছু মারাত্মক রকমের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করতে পারে যা মানুষের জন্য করা অত্যন্ত বিপদজনক।যেমন AI সিস্টেম কয়লার খনির গভীরে গিয়ে কয়লা সংগ্রহ করতে পারে,বোমা নিষ্ক্রিয় করতে পারে,সমুদ্রের অনেক গভীরে গিয়ে অনুসন্ধান চালাতে পারে,আগ্নেয়গিরির ভিতরে প্রবেশ করে আগুন থামাতে পারে ইত্যাদি।এইসব ভয়াবহ কাজ করতে আমরা অনেক প্রাণ হারিয়েছি।কিন্তু AI সিস্টেম এই সকল কাজে দক্ষতা অর্জন করার ফলে মানুষের প্রাণ ঝুকি অনেকটা হ্রাস পেয়েছে।

AI এর অসুবিধা

এখন আমরা দেখে নিব আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের অসুবিধাগুলো কি কি-

মানুষের চিন্তা শক্তির হ্রাস

AI এর অত্যাধিক ব্যবহার মানুষের চিন্তাশক্তিকে ক্ষতিগ্রস্থ করতে পারে।যেমন আমরা চ্যাটবট chatgpt এর কথাই বলতে পারি।উদাহরণ দিয়ে সহজেই ব্যাপারটা বুঝা যায়। ধরো তুমি কোনো একটা বিষয় নিয়ে রিসার্চের কাজ করছ।তো রিসার্চ করতে করতে তুমি এমন একটা জায়গায় এসে থেমে গেলে যেখান থেকে তুমি আর কোনো ভাবেই আগে যেতে পারছ না।ঠিক তখনই তুমি চ্যাটবট chatgpt থেকে সেই সমস্যার সমাধান নিয়ে নিলে যা তোমার নিজের চিন্তাকে এগোতে দিলে না।আবার ধরো তোমার স্কুলের রচনা প্রতিযোগিতায় অধ্যবসায় নিয়ে একটি রচনা লিখতে বলা হলো।কিন্তু তুমি নিজ থেকে না লিখে বা বই থেকে অনুধাবন না করে chatgpt এর মাধ্যমে রচনা লিখে নিয়ে আসলে যা তোমার চিন্তাশক্তিকে বিকশিত হতে দেয় না এবং সৃজনশীলতার পথে প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়ায়।আশা করি উদাহরণ দুটির মাধ্যমে ব্যাপারটা একদম ক্লিয়ার হয়ে গেছে।

চাকরির বাজারে ধ্বস

বর্তমানে চাকরির বাজারে চাকরিকে ‘সোনার হরিণ’ বলে সম্বোধন করা হয়।এমনিতে চাকরির সংকট চলছে তার উপর AI এসে সেই চাকরিতেও interrupt করছে।AI মানুষের থেকে অধিক পরিমাণ ও নির্ভুল (যদি প্রোগ্রাম ঠিকঠাকভাবে করা হয়) কাজ করতে পারে যা একটি কোম্পানির প্রোডাক্টিভিটি বৃদ্ধি করার জন্য অপরিহার্য।সেই তুলনায় মানুষের থেকে তুলনামুলক কম আউটপুট পাওয়া যায়।ইতোমধ্যে বড় বড় লাক্সারি কোম্পানিগুলো AI সিস্টেম সীমিত আকারে ব্যবহার শুরু করে দিয়েছে যা ভবিষ্যতে চাকরির বাজারের জন্য একটি বড় হুমকি হতে পারে।(বিশেষ করে পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ রিলেটেড জবের ক্ষেত্রে)

অতিরিক্ত খরচসাপেক্ষ

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেম ব্যবহার করা ও মেইনটেইন করা অত্যন্ত খরচসাপেক্ষ একটি ব্যাপার।নিয়মিত AI এর সিস্টেম গুলোকে আপগ্রেড রাখা ও লেটেস্ট মডেল ইনপুট করতে বহু টাকা খরচ হয়।সেক্ষেত্রে একটা প্রশ্ন চলে আসতে পারে আর সেই প্রশ্ন হলো “এত ব্যয়বহুল হলে কোম্পানি গুলো কিভাবে AI সিস্টেম ব্যবহার করবে?তারা তো লস করতে এর মাধ্যমে “।এই ধরনের প্রশ্ন আসা অত্যন্ত স্বাভাবিক।কিন্তু আসল বিষয়টা হলো উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি।AI সিস্টেম সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা কাজ করতে পারে এবং মানুষের চাইতে অত্যন্ত দ্রুততা ও দক্ষতার সাথে কাজ করতে পারে।আবার তাদের কাজগুলোও হয় একেবারে নির্ভুল (শর্তসাপেক্ষে)।তাই তাদের প্রোডাক্টিভিটি বাড়ার সাথে সাথে সেল অনেক বাড়বে।যার ফলে তারা অধিক লাভবান হবে।এটাকে কাইন্ড অফ মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি বলা যেতে পারে।

ভুল তথ্য ছড়িয়ে যাওয়া

AI এর মাধ্যমে নানাভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে যেতে পারে।এই ভুলগুলো দুইভাবে হতে পারে।ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃত। যেমন AI এর প্রোগ্রামগুলো একটি সুনির্দিষ্ট ডিজাইন করা অ্যালগরিদম দিয়ে তৈরি।প্রোগ্রাম যদি সঠিকভাবে করা হয় তাহলে AI কখনো ভুল করবে না।আর যদি সঠিকভাবে করা না হয় তাহলে সেটা ভুল তথ্য দিয়ে বিব্রতকর পরিবেশ সৃষ্টি করে।এখন এই যে প্রোগ্রাম সঠিকভাবে করা হয় নাই,এটা হতে পারে প্রোগ্রামারের অনিচ্ছাকৃত ভুল।আবার এটা প্রোগ্রামারের ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ হাসিলের জন্য ইচ্ছাকৃত ভুল হতে পারে।

আবার ইদানীং যে জিনিসটি ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে সেটা হলো ডিপফেইক ইমেজ ও ভিডিও তৈরি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব সৃষ্টি করা।নানা ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর ছবি,ভিডিও ও তথ্য শেয়ার করে গুজব সৃষ্টি করার মাধ্যমে মানুষকে বিভ্রান্তিকর পরিবেশে ফেলা।এর জন্য অবশ্যই সাইবার সিকিউরিটি আইনের ব্যাপক দৃষ্টান্ত স্থাপন করা উচিত।

সৃজনশীলতার অভাব

AI সিস্টেম ব্যবহার করার অন্যতম একটি ঘাটতি হচ্ছে এটি নিজে থেকে কখনো সৃজনশীল চিন্তা ভাবনা করতে পারে না।বিশেষ করে যখন আপনার ব্যবসার জন্য কোন পণ্যের প্রচারণা করছেন তখন মার্কেটিং কৌশলের ক্ষেত্রে সে সৃজনশীল কোন চিন্তা ভাবনা করতে পারছে না।যদিও এআই ইনপুট করা ডেটা থেকে নিজে নিজে শিখতে থাকে তারপরেও এখন পর্যন্ত আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সিস্টেমটি নিজে থেকেই আউট অফ দা বক্স চিন্তা করতে পারেনা বা নিজে থেকে কোন কিছু ডিজাইন করতে পারে না।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI এর জনক কে

জন ম্যাকার্থি কে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।১৯৫৬ সালে তিনিই প্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নামক টার্মটি নিয়ে আসেন।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আবিষ্কারক কে

অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং

ChatGPT এর প্রতিষ্ঠাতা কে

স্যাম অল্টম্যান।

ChatGPT কত সালে চালু হয়

২০২২ সালের নভেম্বর মাসে।

চ্যাটজিপিটি এর GPT এর পূর্ণরূপ কি

Generative Pre-trained Transformer

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র কোনটি

মেশিন লার্নিং কে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *