রমজান মাস এলেই অনেক মুসলমানের মনে একটি সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আসে—তারাবির নামাজ না পড়লে কি রোজা হবে? নামাজ না পড়লে কি রোজা কবুল হবে? আবার কেউ জানতে চান, তারাবি কি সুন্নত না নফল? এটি কি অবশ্যই পড়তেই হবে?
2026 সালের রমজানের ক্যালেন্ডার
এই লেখায় আমরা সহজ ভাষায়, বিভ্রান্তি ছাড়াই এসব প্রশ্নের সঠিক ইসলামিক ব্যাখ্যা তুলে ধরবো।
তারাবির নামাজ না পড়লে কি রোজা হবে
সংক্ষিপ্ত উত্তর— হ্যাঁ, তারাবির নামাজ না পড়লেও রোজা হবে।
কারণ রোজা এবং তারাবির নামাজ দুটি আলাদা ইবাদত। রোজা ফরজ, আর তারাবির নামাজ রমজানের বিশেষ একটি সুন্নত ইবাদত। একটির সঙ্গে অন্যটির শর্তযুক্ত সম্পর্ক নেই।
নামাজ না পড়লে কি রোজা কবুল হবে?
এটি একটি সংবেদনশীল প্রশ্ন।
ইসলামি দৃষ্টিতে রোজা কবুল হওয়া আল্লাহর ইচ্ছার ওপর নির্ভরশীল। তবে নামাজ ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফরজ ইবাদত। কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে নামাজ ত্যাগ করলে সে বড় গুনাহে লিপ্ত হয়।
তবুও ফিকহ অনুযায়ী, নামাজ না পড়লেও রোজা আদায় হয়ে যায়, তবে রোজার পূর্ণ সওয়াব কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
তারাবি কি সুন্নত না নফল?
তারাবির নামাজ হলো সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
অর্থাৎ এটি এমন সুন্নত যা নিয়মিত আদায় করা রাসুল (সা.)-এর অভ্যাস ছিল এবং সাহাবারা জামাতে আদায় করতেন।
তাই এটিকে হালকা করে দেখার সুযোগ নেই, যদিও এটি ফরজ নয়।
তারাবি কি পড়তেই হবে?
ফরজ হিসেবে নয়, কিন্তু সওয়াব ও ফজিলতের জন্য অবশ্যই পড়া উচিত।
তারাবির নামাজে কুরআন শোনা, আত্মশুদ্ধি ও রমজানের বরকত অর্জনের বিশেষ সুযোগ রয়েছে।
যারা নিয়মিত তারাবি পড়েন, তারা রমজানের প্রকৃত আত্মিক স্বাদ অনুভব করেন।
রমজান শুধু উপবাস থাকার নাম নয়; এটি ইবাদত, সংযম ও আত্মশুদ্ধির মাস। তাই রোজার পাশাপাশি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও তারাবির নামাজ আদায় করার চেষ্টা করা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তারাবির নামাজ ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত? দলিল ও তথ্যসূত্রসহ
রমজান মাসে সবচেয়ে আলোচিত একটি প্রশ্ন হলো—তারাবির নামাজ ৮ রাকাত নাকি ২০ রাকাত?
অনেকেই বিভ্রান্ত হন। কেউ বলেন ৮ রাকাতই সুন্নত, আবার কেউ বলেন ২০ রাকাতই সাহাবাদের আমল। চলুন কোরআন-হাদিস, সাহাবাদের আমল ও চার মাযহাবের মতামতের আলোকে বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানি।
২০ রাকাতের দলিল
২০ রাকাত তারাবির ব্যাপারে প্রধান দলিল পাওয়া যায় সাহাবায়ে কেরামের আমল থেকে।
সাহাবাদের যুগে প্রমাণ
উমর ইবন খাত্তাব (রা.) তাঁর খেলাফতকালে মুসল্লিদের এক ইমামের পেছনে একত্রিত করেন এবং ২০ রাকাত তারাবি পড়ার ব্যবস্থা করেন।
হাদিস ও আছারে বর্ণিত আছে যে,
সাহাবারা ২০ রাকাত আদায় করতেন এবং এটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়ে যায়।
রেফারেন্স: মুসান্নাফ ইবনে আবি শাইবা, বায়হাকি
৮ রাকাতের মতামত
৮ রাকাতের পক্ষে যারা মত দেন তারা সাধারণত একটি সহিহ হাদিস উল্লেখ করেন:
আয়েশা (রা.) (রা.) বলেন—
রাসুল (সা.) রমজান ও অন্যান্য মাসে ১১ রাকাতের বেশি পড়তেন না।
(সহিহ বুখারি ও মুসলিম)
এখানে ৮ রাকাত তারাবি + ৩ রাকাত বিতর মিলিয়ে ১১ রাকাত বোঝানো হয়েছে বলে অনেকে মত দেন।
সাহাবাদের আমল
রাসুল (সা.) কয়েক রাত জামাতে তারাবি পড়ালেও পরে ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিয়মিত জামাত চালু করেননি।
কিন্তু তাঁর ইন্তেকালের পর, সাহাবায়ে কেরাম সম্মিলিতভাবে ২০ রাকাত আদায় করেছেন—
এটি অধিকাংশ ঐতিহাসিক বর্ণনায় পাওয়া যায়।
এ কারণেই বহু আলেম ২০ রাকাতকেই শক্তিশালী আমল হিসেবে বিবেচনা করেন।
চার মাযহাবের মতামত
ইসলামের চার সুন্নি মাযহাবের মত নিম্নরূপ—
- হানাফি মাযহাব → ২০ রাকাত
- মালিকি মাযহাব → ২০ (কিছু ক্ষেত্রে ৩৬ রাকাত মদিনায় প্রচলিত ছিল)
- শাফেয়ি মাযহাব → ২০ রাকাত
- হাম্বলি মাযহাব → ২০ রাকাত (কিছু বর্ণনায় ৮-ও অনুমোদিত)
অর্থাৎ অধিকাংশ ফিকহি মত অনুযায়ী ২০ রাকাতই গ্রহণযোগ্য ও প্রচলিত আমল।
তারাবির রাকাত সংখ্যা নিয়ে বিভক্তি তৈরি করা উচিত নয়। ইসলামের মূল শিক্ষা ঐক্য ও সহনশীলতা। যে মসজিদে যে নিয়ম চালু আছে, তা অনুসরণ করাই উত্তম। কারণ সাহাবাদের আমলে ২০ রাকাত ব্যাপকভাবে প্রচলিত হলেও ৮ রাকাতের দলিলও সহিহ হাদিসে রয়েছে। রমজানের আসল উদ্দেশ্য—কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় করা ও তাকওয়া অর্জন।
তারাবির নামাজ কি, কিভাবে পড়তে হয় ও নিয়ত-দোয়া সহ সম্পূর্ণ গাইড
রমজান মাসে এশার নামাজের পর যে বিশেষ নফল নামাজ আদায় করা হয় তাকে তারাবির নামাজ বলা হয়। এটি রমজানের গুরুত্বপূর্ণ একটি সুন্নত ইবাদত, যা মুসলমানদের জন্য বিশেষ সওয়াবের সুযোগ এনে দেয়।
তারাবির নামাজ কি?
তারাবি শব্দটি আরবি “তারওয়ীহা” থেকে এসেছে, যার অর্থ বিশ্রাম নেওয়া। সাহাবায়ে কেরাম দীর্ঘ কিরাতের কারণে কয়েক রাকাত পরপর বিশ্রাম নিতেন—সেখান থেকেই “তারাবি” নামকরণ।
হাদিসে বর্ণিত আছে, মুহাম্মদ (সা.) কয়েক রাত জামাতে কিয়ামুল লাইল (তারাবি) আদায় করেন, পরে ফরজ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় নিয়মিত জামাত বন্ধ রাখেন।
পরবর্তীতে উমর ইবন খাত্তাব (রা.) তাঁর খেলাফতকালে মুসল্লিদের এক ইমামের পেছনে একত্রিত করেন।
তারাবি ফরজ নয়, বরং সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
তারাবির নামাজের নিয়ত
তারাবির জন্য আলাদা মুখে উচ্চারণ করা নিয়ত বাধ্যতামূলক নয়। মনে নিয়ত করাই যথেষ্ট।
তবে অনেকেই এভাবে বলেন:
আরবি নিয়ত (মুখে বলার জন্য):
নাওয়াইতু আন উসাল্লিয়া লিল্লাহি তা’আলা সালাতাত তারাবীহি সুননাতান লিল্লাহি তা’আলা।
বাংলা অর্থ:
আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে তারাবির সুন্নত নামাজ আদায় করার নিয়ত করলাম।
তারাবির নামাজ কিভাবে পড়তে হয়?
তারাবির নামাজ সাধারণত ২ রাকাত করে আদায় করা হয়।
পড়ার নিয়ম সংক্ষেপে:
- এশার ফরজ ও সুন্নত শেষ করা
- ২ রাকাত করে তারাবি পড়া
- প্রতি ৪ রাকাত পর সামান্য বিরতি নেওয়া (এ কারণেই নাম তারাবি)
- শেষে বিতর নামাজ আদায় করা
রাকাত সংখ্যা নিয়ে মতভেদ আছে (৮ বা ২০), তবে যে মসজিদে যে নিয়ম প্রচলিত তা অনুসরণ করাই উত্তম।
তারাবির নামাজের দোয়া
বাংলাদেশসহ উপমহাদেশে একটি প্রচলিত দোয়া পড়া হয় বিরতির সময়। যেমন:
“সুবহানা জিল মুলকি ওয়াল মালাকূত” (سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ) একটি আরবি দোয়া।
অর্থ:
“পবিত্র তিনি, যিনি সমস্ত রাজত্ব ও সাম্রাজ্যের অধিকারী।”
এটি সাধারণত তাহাজ্জুদ বা নফল নামাজে রুকু ও সিজদায় পড়া হয়। পুরো দোয়াটি হলো:
سُبْحَانَ ذِي الْمُلْكِ وَالْمَلَكُوتِ وَالْعِزَّةِ وَالْعَظَمَةِ وَالْهَيْبَةِ وَالْقُدْرَةِ وَالْكِبْرِيَاءِ
বাংলা অর্থ:
“পবিত্র তিনি, যিনি রাজত্ব, সার্বভৌম ক্ষমতা, সম্মান, মহিমা, ভয়প্রদ প্রতাপ, শক্তি ও মহত্ত্বের অধিকারী।”(পূর্ণ দোয়া মসজিদে প্রচলিত অনুযায়ী পড়া হয়)
মনে রাখতে হবে, নির্দিষ্ট কোনো বাধ্যতামূলক দোয়া নেই। যেকোনো দোয়া পড়া যায়।
তারাবির মোনাজাত
তারাবির শেষে ইমাম সাধারণত দীর্ঘ মোনাজাত করেন।
মোনাজাতে সাধারণত থাকে:
- গুনাহ মাফের দোয়া
- রহমত ও বরকতের আবেদন
- মুসলিম উম্মাহর জন্য কল্যাণ কামনা
ব্যক্তিগতভাবেও আপনি নিজের ভাষায় আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারেন।
খতম তারাবি পড়া কি জায়েজ?
হ্যাঁ, খতম তারাবি জায়েজ এবং ফজিলতপূর্ণ আমল। রমজানে পুরো কুরআন তিলাওয়াত করা একটি উত্তম কাজ। অনেক মসজিদে ২০ রাকাতে পুরো কুরআন খতম করা হয়। এটি বাধ্যতামূলক নয়, তবে অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।
রমজান মাস ইবাদত ও আত্মশুদ্ধির সময়। তারাবির নামাজ কুরআনের সাথে সম্পর্ক গভীর করে এবং আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের বিশেষ সুযোগ দেয়। নিয়মিত তারাবি আদায় করার চেষ্টা করা প্রতিটি মুমিনের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর।
২০২৬ সালের তারাবির নামাজের সময়সূচি
রমজান ২০২৬-এর প্রথম রোজা ও তারাবির নামাজ সাধারণত শুরু হবে ফেব্রুয়ারি ১৮ বা ১৯, ২০২৬ তারিখে — চাঁদ দেখার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট হবে।
তারাবির নামাজ সাধারণত ইশা নামাজের পরেই শুরু হয়।
ইশা ও তারাবির সময় শহরভেদে (যেমন ঢাকায়, রংপুরে, চট্টগ্রামে) আলাদা হতে পারে। তাই স্থানীয় জায়গার হিসাব অনুযায়ী সময়গুলি ভিন্ন হবে।
ঢাকা ২০২৬ রমজান সময়সূচি: সেহরি, ইফতার, ইশা ও তারাবি (30 দিনের পূর্ণ তালিকা)
| দিন | তারিখ | সেহরি শেষ (Imsak) | ফজর | মাগরিব (ইফতার) | ইশা | তারাবি |
|---|---|---|---|---|---|---|
| 1 | Feb 17 | 5:45 AM | 5:55 AM | 5:49 PM | 7:09 PM | ইশার পর |
| 2 | Feb 18 | 5:44 AM | 5:54 AM | 5:51 PM | 7:10 PM | ইশার পর |
| 3 | Feb 19 | 5:42 AM | 5:52 AM | 5:52 PM | 7:11 PM | ইশার পর |
| 4 | Feb 20 | 5:41 AM | 5:51 AM | 5:53 PM | 7:13 PM | ইশার পর |
| 5 | Feb 21 | 5:39 AM | 5:49 AM | 5:55 PM | 7:14 PM | ইশার পর |
| 6 | Feb 22 | 5:38 AM | 5:48 AM | 5:56 PM | 7:15 PM | ইশার পর |
| 7 | Feb 23 | 5:36 AM | 5:46 AM | 5:57 PM | 7:16 PM | ইশার পর |
| 8 | Feb 24 | 5:35 AM | 5:45 AM | 5:59 PM | 7:17 PM | ইশার পর |
| 9 | Feb 25 | 5:33 AM | 5:43 AM | 6:00 PM | 7:19 PM | ইশার পর |
| 10 | Feb 26 | 5:32 AM | 5:42 AM | 6:01 PM | 7:20 PM | ইশার পর |
| 11 | Feb 27 | 5:30 AM | 5:40 AM | 6:02 PM | 7:21 PM | ইশার পর |
| 12 | Feb 28 | 5:29 AM | 5:39 AM | 6:04 PM | 7:22 PM | ইশার পর |
| 13 | Mar 1 | 5:27 AM | 5:37 AM | 6:05 PM | 7:24 PM | ইশার পর |
| 14 | Mar 2 | 5:25 AM | 5:35 AM | 6:06 PM | 7:25 PM | ইশার পর |
| 15 | Mar 3 | 5:24 AM | 5:34 AM | 6:08 PM | 7:26 PM | ইশার পর |
| 16 | Mar 4 | 5:22 AM | 5:32 AM | 6:09 PM | 7:27 PM | ইশার পর |
| 17 | Mar 5 | 5:20 AM | 5:30 AM | 6:10 PM | 7:29 PM | ইশার পর |
| 18 | Mar 6 | 5:19 AM | 5:29 AM | 6:11 PM | 7:30 PM | ইশার পর |
| 19 | Mar 7 | 5:17 AM | 5:27 AM | 6:13 PM | 7:31 PM | ইশার পর |
| 20 | Mar 8 | 5:15 AM | 5:25 AM | 6:14 PM | 7:32 PM | ইশার পর |
| 21 | Mar 9 | 6:14 AM | 6:24 AM | 7:15 PM | 8:34 PM | ইশার পর |
| 22 | Mar 10 | 6:12 AM | 6:22 AM | 7:16 PM | 8:35 PM | ইশার পর |
| 23 | Mar 11 | 6:10 AM | 6:20 AM | 7:18 PM | 8:36 PM | ইশার পর |
| 24 | Mar 12 | 6:08 AM | 6:18 AM | 7:19 PM | 8:38 PM | ইশার পর |
| 25 | Mar 13 | 6:06 AM | 6:16 AM | 7:20 PM | 8:39 PM | ইশার পর |
| 26 | Mar 14 | 6:05 AM | 6:15 AM | 7:21 PM | 8:40 PM | ইশার পর |
| 27 | Mar 15 | 6:03 AM | 6:13 AM | 7:23 PM | 8:41 PM | ইশার পর |
| 28 | Mar 16 | 6:01 AM | 6:11 AM | 7:24 PM | 8:43 PM | ইশার পর |
| 29 | Mar 17 | 5:59 AM | 6:09 AM | 7:25 PM | 8:44 PM | ইশার পর |
| 30 | Mar 18 | 5:57 AM | 6:07 AM | 7:26 PM | 8:45 PM | ইশার পর |
তারাবির নামাজের সময় নির্দেশিকা
সাধারণভাবে পরিকল্পিত সময়সূচি:
- ইশা নামাজের ইকামাহ — প্রায় মাগরিবের 1.5 ঘণ্টা পর
- তারাবি নামাজ — ইশা নামাজের পর সরাসরি (মসজিদ অনুযায়ী সময় পরিবর্তিত হতে পারে)
অনেকে মসজিদে ৮ রাকাত বা ২০ রাকাত পর্যন্ত তারাবি পড়েন, সেই হিসেবে সাধারণ সময় থাকে ইশা শেষ → ২০:00 – 21:00 বা তারপরে পর্যন্ত (স্থানের উপর নির্ভর)।
খতম তারাবি (পুরো কুরআন খতমের পরিকল্পনা)
অনেক মসজিদ ও ইসলামিক সেন্টার এক মাসে পুরো কুরআন খতম করার লক্ষ্য রাখে। উদাহরণস্বরূপ:
- যদি প্রতিদিন ১ জুজ পড়া হয় → 30 দিনেই খতম হয়
- সাধারণত খতম নির্দিষ্ট করে রাখে রাতে ২৭তম বা ২৯তম রাতে
রমজানে তারাবির নামাজ: সুন্নত, সওয়াব ও পড়ার গুরুত্ব
রমজানে তারাবির নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদা হওয়ায় এটার গুরুত্ব অনেক বেশি। যদিও এটি ফরজ নয়, নিয়মিত আদায় করলে আল্লাহর কাছে সওয়াব অনেক বেশি। আপনি ইশার পর তারাবি নামাজ পড়ার চেষ্টা করুন এবং নিজের ইবাদত আরও পূর্ণ করুন। নিজের এবং পরিবারকে উৎসাহিত করুন, যাতে রমজানের প্রতিটি রাত আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের সুযোগ হয়ে ওঠে।


Pingback: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, ফেব্রুয়ারির ইতিহাস, স্ট্যাটাস ও বক্তব্য