রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ:
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ:

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ

নাগরিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তার আওতায় বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ, যা প্রায় ২০ মিলিয়ন ইউরো বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৯১৪৮৪৯০০০ টাকা সমমান।

নতুন অনুদানের লক্ষ্য

ডব্লিউএফপি জানিয়েছে, নতুন এই অনুদান ২০২৬ সালের মধ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য জীবন বাঁচানো খাদ্য ও পুষ্টি সহায়তা নিশ্চিত করবে। রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ, যা খাদ্য নিরাপত্তা এবং পুষ্টি সেবা বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হবে।

ইইউ-এর মানবিক সহায়তা

বাংলাদেশে ইইউ মানবিক সহায়তার প্রধান প্রতিনিধি মাইকেল কার্লন বলেন,

২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মানবিক কার্যক্রমের জন্য এটি একটি চ্যালেঞ্জিং বছর। আমাদের লক্ষ্য রোহিঙ্গাদের এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য নিরাপদ ও স্থায়ী সহায়তা নিশ্চিত করা।”

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ, যা সরাসরি প্রয়োজনীয়দের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

কারা উপকৃত হবে?

ডব্লিউএফপি ই-ভাউচার ব্যবস্থার মাধ্যমে ১২ লাখ মানুষের খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। এর মধ্যে:

  • গর্ভবতী মা ও শিশু
  • প্রতিবন্ধী এবং অসহায় মানুষ
  • ৪ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু
  • ৬০ হাজার রোহিঙ্গা শিশুর জন্য স্কুল মিল

প্রতি পরিবার প্রতি ১২ কেজি শুকনো খাদ্য সরবরাহ করা হচ্ছে, যা প্রায় তিন মাস পর্যাপ্ত।

তরুণদের জন্য সহায়তা

ডব্লিউএফপি বাংলাদেশের তরুণদের জন্য জীবন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ, যা স্থানীয় স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং স্কুল মিলের মাধ্যমে শিশু ও কিশোরদের উন্নতিতে সহায়ক হবে।

নতুন বছরের অগ্রগতি

২০২৬ সালে এই তহবিল রোহিঙ্গাদের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান দিলো ইইউ, যা সংকটকালীন সহায়তা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কার্যক্রমে ব্যবহৃত হবে।

ইইউ রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং স্থানীয় কমিউনিটিকে সহায়তা করার জন্য ২৯ কোটি টাকা অনুদান প্রদান করেছে। এই অর্থ খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং আশ্রয় নিশ্চিত করতে ব্যবহার হবে। বাস্তবে, অনুদানটি বহু পরিবারের নিরাপদ জীবনযাপন ও জীবিকার জন্য সহায়ক হয়েছে, শিশুদের শিক্ষার সুযোগ বাড়িয়েছে এবং স্থানীয় কমিউনিটিতে নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

1 Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *