১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা লিখিত নয়, এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে: চেয়ারম্যান — বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হতে আগ্রহীদের জন্য বড় আপডেট এসেছে। ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা লিখিত নয়, এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে: চেয়ারম্যান— এমনটাই স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)-এর চেয়ারম্যান মো. আমিনুল ইসলাম। সোমবার (০২ মার্চ) দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই; সার্কুলারেই সবকিছু পরিষ্কারভাবে উল্লেখ আছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ১৯তম শিক্ষক নিবন্ধনে লিখিত পরীক্ষা যুক্ত হচ্ছে— এমন গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও চেয়ারম্যান পরিষ্কার করে বলেন, সার্কুলারে লিখিত পরীক্ষার কোনো উল্লেখ নেই। ফলে ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা লিখিত নয়, এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে: চেয়ারম্যান— এই ঘোষণাই চূড়ান্ত। ২০০ নম্বরের সম্পূর্ণ এমসিকিউ পদ্ধতিতেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা প্রার্থীদের জন্য প্রস্তুতির দিকনির্দেশনাও স্পষ্ট করে দিয়েছে।
গত ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম শুরু হয় এবং প্রথম দফার সময়সীমা ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত থাকলেও পরে তা ১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এখন শূন্য পদের তথ্য (ই-রিকুইজিশন) সংগ্রহের প্রস্তুতি নিচ্ছে এনটিআরসিএ। এতে করে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
নতুন নিয়োগ পদ্ধতিতে যেসব পরিবর্তন আসছে
নতুন প্রস্তাবিত পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি— এই তিন বিভাগের জন্যই ২০০ নম্বরের পরীক্ষা রাখার চিন্তা করা হচ্ছে। আগে স্কুল-কলেজ ও কারিগরিতে ১০০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ১০০ নম্বর জেনারেল, আর মাদ্রাসায় ১৪০ নম্বর সাবজেক্টিভ ও ৬০ নম্বর জেনারেল করার প্রস্তাব ছিল। তবে এতে বৈষম্য তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাই তিন বিভাগের জন্য একই নম্বর কাঠামো রাখার দিকেই এগোনো হচ্ছে।
এছাড়া গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে— প্রথমবারের মতো ভাইভা নম্বর যুক্ত করার উদ্যোগ। এর আগে নিবন্ধন পরীক্ষায় ভাইভার নম্বর যুক্ত করা হয়নি। নতুন বিধিমালায় ভাইভা সংযোজনের ব্যাপারে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে। পাশাপাশি ১৯তম নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের দিন থেকেই প্রার্থীদের বয়স গণনা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা প্রার্থীদের জন্য স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
সব মিলিয়ে, ১৯তম নিবন্ধনের পরীক্ষা লিখিত নয়, এমসিকিউ পদ্ধতিতেই হবে: চেয়ারম্যান— এই ঘোষণার মাধ্যমে পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্তি দূর হয়েছে এবং প্রস্তুতির পথ এখন আরও পরিষ্কার।

